Free YouTube Subscribers
anb24.net
সত্যের সন্ধানে আমরা বিশ্ব জুড়ে

বুড়িচংয়ে রোপা আমনে বাম্পার ফলন, বাড়ছে সরিষা চাষের সম্ভাবনা

0 31

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

কুমিল্লা বুড়িচং প্রতিনিধি।

 

বুড়িচং উপজেলার কৃষককেরা রোপাআমনে আগাম জাতের ধান কাটতে শুরু করেছে কার্তিক মাসের শেষ সপ্তাহে। ব্রি ধান৭১, ব্রি ধান৭৫, বিনাধান-১৭ ইত্যাদি নতুন জাত দখল করে নিচ্ছে ব্রি ধান৪৯ ও স্বর্ণমসুরি ধানের মাঠ। তাছাড়া, আবাদ বেড়েছে ব্রি ধান৮৭ ও ব্রি ধান৯৫ জাতের ধানের।

জাত গুলোর জীবনকাল স্বল্প জীবনকালীন হওয়ার ফলে, ভালো ফলনের পাশাপাশি সরিষা চাষের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে উপজেলার বিভিন্ন মাঠে।

 

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, রোপাআমন মৌসুমের শুরুতে বুড়িচং উপজেলার কৃষকদের মাঝে ব্রি ধান৭১, ব্রি ধান৭৫, ব্রি ধান৮৭, ব্রি ধান৯৫, ব্রি হাইব্রিড ধান৪, ব্রি হাইব্রিড ধান৬, বিনাধান-১৬, বিনাধান-১৭, বিনাধান-২০ ও বিনাধান-২২ জাতের ১ টন বীজ কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করে উপজেলা কৃষি অফিস। পুরাতন দীর্ঘ জীবনকালীন জাত গুলোর পরিবর্তে আগাম জাতের ধান আবাদের মাধ্যমে শস্য বিন্যাসে সরিষা চাষ অন্তর্ভুক্তির জন্য এ কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়। জাত গুলোর মধ্যে এ বছর প্রথমবারের মতো ৬ হেক্টর জমিতে চাষ হওয়া ব্রি ধান৭১ বেশি পছন্দ হয়েছে কৃষকদের। মাত্র ১১৫ দিনে ভালো ফলন হওয়ায় ও জাতটিতে রোগ পোকার আক্রমণ কম হওয়ায় এই আগ্রহ তৈরি হয়েছে  কৃষকদের মাঝে। তাছাড়া, ব্রি ধান৭৫ জাতটি ৯৫ হেক্টর, ব্রি ধান৮৭ জাতটি ২৮৫ হেক্টর, ব্রি ধান৯৫ জাতটি ৩১ হেক্টর ও বিনাধান-১৭ জাতটি ২১ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। রোপাআমন মৌসুমে মোট ৯২৮০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন অর্জিত হয়েছে বুড়িচং উপজেলায়। আগাম জাতের ধানে ফলন পাওয়া যাচ্ছে চাউলে ২.৮৭ টন/হেক্টর থেকে ২.৯৮ টন/হেক্টর পর্যন্ত, যা জাতীয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি।

কৃষক ওমর ফারুক, গ্রাম পাহাড়পুর, আগাম জাত বিশেষ করে ব্রি ধান৭১ এর চাষী,কৃষক মো. রফিকুল ইসলাম, ব্রি ধান৯৫ এর চাষী

 

উপজেলা কৃষি অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ বানিন রায় জানান, বুড়িচং উপজেলার কৃষকেরা সরিষা চাষে অভ্যস্ত ছিলেন না। ফলে ব্রি ধান৪৯, ব্রি ধান৩২ ও স্বর্ণমসুরি ধানের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বেশি ছিল। সরিষা আবাদ বৃদ্ধির পরিকল্পনার অংশ হিসাবে আগাম জাতের ধানের বীজ সংগ্রহ করে কৃষকদের মাঝে বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। বেশ কয়েকটি জাত জাত যেমন ব্রি ধান৭১, বিনাধান-২০, বিনাধান-২২ প্রথমবারের মতো চাষ হয়েছে। আশার কথা হচ্ছে কৃষকেরা জাত গুলো পছন্দ করছেন।

 

বুড়িচং উপজেলায় বিভিন্ন কারণে কৃষক নাবি জাত করতে বাধ্য হয়। তবে যে জমি গুলো আগাম জাত করা যাবে সেগুলোকে সরিষা আবাদের আওতায় আনতে আমরা কাজ করছি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.