Free YouTube Subscribers
anb24.net
সত্যের সন্ধানে আমরা বিশ্ব জুড়ে

গ্রীসের কমিউনিটি,র সহযোগিতা দেড়মাস পর রুনার মরদেহ আসবে দেশে!

0 79

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

গ্রিসের এথেন্সে মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের শিকার রুনা আক্তার নামের এক বাংলাদেশি নারীর মরদেহ প্রায় দেড়মাস পর দেশে যাচ্ছে। পরিবারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ না করায় মর্গে পড়ে থাকা মরদেহটি দেশে পাঠানোর উদ্যোগও নিচ্ছিল না কেউ। অন্যদিকে হাসপাতালের মর্গের ফ্রিজের ভাড়াও বেড়েই চলছিল দিনদিন।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রশাসনিক জটিলতা ও পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় প্রাথমিকভাবে মরদেহটি দেশে পাঠানোর কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসও। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হলে নজরে আসে নিহত রুনা আক্তারের পরিবারের।

 

এ প্রতিবেদকের মাধ্যমে বাংলাদেশি কমিউনিটি ইন গ্রিসের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মরদেহ দেশে পাঠানোর আকুতি জানায় পরিবার। অবশেষে মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশি কমিউনিটি ইন গ্রিস।

গত ২৮ আগস্ট রাজধানী এথেন্সের কিপসেলির তেনেদু স্ট্রিটে রুনা আক্তার (৩৬) নামের এক বাংলাদেশি নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৪০ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নিহত রুনা বেগম নারায়নগঞ্জ জেলার জনৈক রিপন মিয়ার স্ত্রী। রুনা আক্তারের বাবার বাড়ি চাঁদপুর এলাকায়। তবে গ্রেফতার ব্যক্তির নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

 

নিয়ে গ্রিসের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হয়। এতে বলা হয় কিপসেলির একটি রাস্তায় বাংলাদেশের একজন ৩৬ বছর বয়সী নারীকে ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম অবস্থায় পাওয়া যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া গেলে সেখানেই কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়।

নিহত রুনা আক্তারের স্বামী এবং পুলিশের তদন্ত থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে, ৪০ বছর বয়সী বাংলাদেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি ও নারীকে রাস্তার মাঝখানে বারবার ছুরিকাঘাত করে হত্যার কথা স্বীকার করেছে পুলিশের কাছে।
এদিকে, ঘটনার পর সুরতহাল প্রতিবেদন করার পর মরদেহটি এথেন্সের একটি হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। এরপর থেকেই লাশটি মর্গে পড়ে আছে। ঘটনার দেড় মাস অতিবাহিত হলেও তাদের পরিবারের পক্ষ থেকেও কেউ কোনো যোগাযোগ করেনি লাশটি দেশে পাঠানোর জন্য। এ অবস্থায় বেড়েই চলছে হাসপাতালের ফ্রিজের ভাড়া।

মরদেহটি গ্রিসে দাফন করতে হলেও হাসপাতালের ভাড়া পরিশোধ করতে হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ইউরো এসেছে ভাড়া। এ নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিস। তবুও সন্ধান মেলেনি রুনা আক্তারের পরিবারের লোকজনের।

আরও পড়ুন ঃগ্রিসের মর্গে বাংলাদেশি রুনার মরদেহ পড়েআছে।

সংবাদ দেখে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। প্রতিবেদক বাংলাদেশ কমিউনিটির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুছ ও সহ-সভাপতি শাহনুর রিপনের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা করে দেন। পরিবারের পক্ষ থেকে লাশ দেশে পাঠানোর আকুতি জানান রুনা আক্তারের মেয়ে। শেষে ওই অঞ্চলের নেতাদের নিয়ে মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ কমিউনিটি।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুছ জানান, ঘটনার দেড় মাস অতিবাহিত হলেও নিহতের পরিবারের কেউ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। আমরাও কাউকে পাইনি। এখন তারাও জেনেছে ঘটনা। আমাদের সাথেও যোগাযোগ করছে। কিন্তু বেশি দিন হওয়ায় অনেক টাকা লাগবে। তবুও যত টাকাই লাগে লাশ দেশে পাঠানো হবে। বাংলাদেশ কমিউনিটি মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব লাশ দেশে পাঠানো হবে।

সূত্র, জাগো নিউজ।

 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.